সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সোহরাব হোসেনের মেজো মেয়ে খাদিজা আক্তার। তাদের অভিযোগ, জেসমিনকে তার বাবা রড দিয়ে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছেন। সম্প্রতি একটি ঘর তোলা নিয়ে বড় বোনের স্বামী ফজলুল করিমসহ সকলকে মারধর করেন সোহরাব হোসেন। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও করেছেন তারা। এর আগে সোহরাব বাদী হয়ে আদালতে একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলায় চার মেয়েসহ বড় মেয়ের স্বামীকে আসামি করেছেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা এবং জেসমিন কান্না করে বলেন, 'কলেজে পরীক্ষা শেষ করেই বাবার দেওয়া মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে যেতে হয়েছে আমাদের।'
খাদিজা জানান, পারিবারিক এসব বিষয় নিয়ে সমাধানের জন্য এলাকার স্থানীয়রা অনেকবার সালিস বৈঠক করেছেন; কিন্তু সোহরাব সিদ্ধান্ত মেনে না নেওয়ায় কোনো সুরাহা হয়নি।
অভিযুক্ত সোহরাব হোসেন (৬৬) বলেন, ‘চার মেয়ে যুক্তি করে একসাথে সব কিছু করে। তারা কেউ আমার কথা মানে না। আর আমার সম্পদ আমি মারা গেলে তারাই পাবে। কিন্তু আমি বেঁচে থাকতে তো তাদেরকে সম্পদ দিতে পারি না।’
সম্পাদক ও প্রকাশক- মোঃ জুয়েল
Copyright © 2025 পার্বত্যসময়. All rights reserved.