বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি: বাঘাইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ১৫ ই জুন বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাক্যবোধি চাকমার সভাপতিত্বে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার এবং ৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লে: কর্নেল মুনতাসির রহমান চৌধুরী, পিএসসি। এসময় অরোও উপস্থিত ছিলেন, সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব অতুলাল চাকমা, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিমল কান্তি চাকমা, নেলশন চাকমা প্রমুখ।
প্রধান শিক্ষক শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘তোমাদের যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা শিক্ষা দিয়েছি। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জীবনে এটাই প্রথম ধাপ। এর শুরুটা যদি ভাল হয় তাহলে জীবনের সব ধাপ পেরিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে। মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করবে এবং সাহসের সহিত পরীক্ষায় অংশ নিবে। আর এবার-ই প্রথম অমাদের বিদ্যালয়ে এসএসসি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে যার সবচেয়ে বড় সহযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাঘাইহাট জোন, সকলের জানা দরকার সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের তৎকালিন জোন কমান্ডার লে: কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,পিএসসি, ২৪ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি সার্বিক সহযোগীতায় ১৯৯২ সালে বাঘাইহাট জুনিয়র হাই স্কুল নামে অত্র স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় । তারপর ১৯৯৯ সালে তৎকালিন জোন কমান্ডার লে: কর্নেল আবু সোহেল পিএসসি ১ ইস্ট বেংগল এর সার্বিক সহযোগীতায় সরকারি এমপিও ভূক্তকরন হয়।পরবর্তীতে তৎকালিন জোন কমান্ডার লে: কর্নেল মোঃ মুহসিন আলম,পিএসসি,১৪ বীর এর সার্বিক সহযোগীতায় ২০১০ সালে জেএসসি পরিক্ষার কেন্দ্র অনুমোদন হয়। এরপর দীর্ঘ ১১বছর চেষ্টা করে এসএসসি কেন্দ্র আনার তদবির করেও সম্ভব হয়নি বর্তমান জোন কমান্ডার- লে: কর্নেল মুনতাসির রহমান চৌধুরী, পিএসসি, ৬ ইস্ট বেংগল এর সার্বিক সহযোগীতায় ২০২২ সালে এসএসসি পরিক্ষার কেন্দ্র ( মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ,চট্টগ্রাম) কেন্দ্র অনুমোদন হয় এজন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জোন কমান্ডারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
প্রধান অতিথি লে.কর্নেল মুনতানির রহমান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড। যে জাতি যত শিক্ষিত, সে জাতি তত উন্নত। তাই তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহবান জানান।তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, তোমরায় দেশের ভবিষ্যৎ। তোমরা ভালভাবে লেখাপড়া করে দেশের জন্য কাজ করবে। দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করবে। তোমরা শিক্ষিত হয়ে, যেমনটি চাইবে, তাই হবে। তোমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হয়ে, কেউ ডাক্তার হয়ে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার হয়ে, আবার কেউ বিজ্ঞানী হয়ে এলাকার ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের লক্ষ্য স্থির করে লেখাপড়া করার আহবান জানান। দেশের উন্নয়নে তোমাদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপুর্ণ উল্লেখ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক- মোঃ জুয়েল
Copyright © 2025 পার্বত্যসময়. All rights reserved.